


মেজর মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।

শিক্ষা মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে”—এই বিশ্বাসকে সামনে রেখে আমাদের প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু পরীক্ষার ফলাফলে সীমাবদ্ধ না থেকে আমরা শিক্ষার্থীদের... মান...
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক — মেজর মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয়

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং জাতির উন্নতির মূল চালিকা শক্তি। আমাদের এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং নৈতিকতা, মানবিকতা ও আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গড়ে তুলতে সচেষ্ট।... আমরা বি...
মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান
প্রতিষ্ঠাতা — মেজর মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয়
০
অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী
0
দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক
বিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত
1
পরিচালনা পর্ষদ সদস্য
0
আধুনিক শ্রেণি ও ল্যাব কক্ষ

মেজর মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।